Monday, May 27, 2024
HomeNewsএকরাম হত্যাকান্ড; সুস্থ তদন্তের লক্ষ্যে মহেশখালীতে পুলিশ সুপার

একরাম হত্যাকান্ড; সুস্থ তদন্তের লক্ষ্যে মহেশখালীতে পুলিশ সুপার

এ.কে.রিফাতঃ

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলার বাসিন্দা একরাম হত্যাকান্ডের সুষ্টু তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল পরির্দশনে করলেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী কুতুবদিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহিদুল ইসলাম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবদুল হাই, কালারমারছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরিফ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,কালারমারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত আব্দু সাত্তারের পুত্র একরাম (৩০) কে গত ০১ জুলাই রাতে মাতারবাড়ীর কোহেলিয়া নদীর তীরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, নিহত একরাম তার অন্ধকার জগৎ থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য ২০২০ সালে মহেশখালীর কালারমারছড়া স্কুলের মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে আত্নসমর্পণ করেন। সে দীর্ঘ দিন ধরে কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে এসে স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করে আসছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ডাকাতির ইস্যুকে কেন্দ্র করে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা,এমনটাই দাবি তার আত্মীয়স্বজন ও সচেতন মহলের।

এদিকে ঘটনার পরেরদিন একরাম হত্যাকান্ডে সন্ধেহজনকভাবে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী সহ উপস্থিত জনতা কালামারছড়ার বাসিন্দা কবির ডাকাতকে আটক করে গণপিঠুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১ জুলাই রাতে মহেশখালীর মাতারবাড়িতে কালারমারছড়া উত্তর নলবিলার মৃত আব্দুস ছাত্তারের পুত্র, একারাম (৩০) কে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা মাতারবাড়ীর নদীর তীরে লাশ দেখতে পেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও পুলিশকে খবর দিলে এএসপি নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে, ময়নাতদন্ত শেষ করার পর আত্বীয় -স্বজনের কাছে একরামের লাশ হস্তান্তর করেন।

এ ঘটনায় নিহত একরামের মামা মনিরুল আলম বাদী হয়ে ডাকাত কবিরকে ১ ও শাকের উল্লাহ কে ২ নং আসামী করে মহেশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেন। এতে আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জন রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

Related News
- Advertisment -

Popular News

error: Content is protected !!